দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার খামারিরা। জেলার বিভিন্ন খামারে চলছে গবাদিপশু পরিচর্যা ও বাজারজাতের শেষ প্রস্তুতি। লাভের আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মাগুরা সদরের মঘী ইউনিয়নের ছয়চার গ্রামে ঈদের আগে খামারিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মাগুরা জেলার বিভিন্ন খামারে গিয়ে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কেউ গরুকে গোসল করাচ্ছেন, কেউ খাবার দিচ্ছেন আবার কেউ খাবার প্রস্তুত করছেন। সারা বছর লালন-পালন করা পশুগুলোকে ঈদ উপলক্ষে বিক্রির আশায় প্রস্তুত করা হচ্ছে। অনেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন।
খামারি মো. খায়রুজ্জামান সবুজ বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর গো- খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে, তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পশু আমদানি না হলে ভালো দামের পাশাপাশি খামারিরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন মাগুরার খামারিরা।’
আরেক খামারি শাহরিয়ার সিজান বলছেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ দেশিয় খাবার খাইয়ে গরুগুলো লালন-পালন করেছি ৷ কোন প্রকার রাসায়নিক বা ইনজেকশনের সহোযোগিতা নেইনি, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে আমরা খামার পরিচালনা করেছি। যদি ঠিক-ঠাক দাম পায় তাহলে লাভের মুখ দেখবো।’
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, এবার জেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিহির কান্তি বিশ্বাস জানান, খামারিদের নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাগুরাতে গরু কোরবানির চাহিদা রয়েছে ৬২ হাজার ৫ শত ৮টি, চাহিদার তুলনায় প্রস্তুত রয়েছে ৭৬ হাজার ৯ শত ৭৪ টি গবাদিপশু । চাহিদার তুলনায় ১৪ হাজার পশু অতিরিক্ত থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের কথা জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
এবারের ঈদে পশুর ন্যায্য দাম পেলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সুফল মিলবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার খামারিরা।
কেএম/এমএম